শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

কাঁচামরিচে স্বস্তি, শত টাকার ওপরে অধিকাংশ সবজি


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪-৮-২০২৬ রাত ৮:৫৯

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে সবজির দাম ক্রমেই ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে বাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির সরবরাহ বাড়লেও তার প্রভাব পড়েনি খুচরা দামে। রাজধানীর মিরপুরের ৬ নম্বর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আলু ও পেঁপেসহ হাতে গোনা কয়েকটি পণ্য ছাড়া অধিকাংশ সবজিই কেজিপ্রতি ১০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো সবজির দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

শুক্রবার মিরপুর ৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। টমেটোর দাম ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। বরবটি, ঝিঙে, করলা, চিচিঙ্গা ও শসার মতো সবজিও ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোলের দাম ১২০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে ও আলু।

কয়েক সপ্তাহ আগে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ৪০০ টাকার ওপরে উঠে যাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে সেই দাম কিছুটা কমেছে। বাজারে আমদানি করা কাঁচামরিচ ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশি কাঁচামরিচের সরবরাহ এখন খুবই কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

বাজারে আসা এক ক্রেতা বলেন, কাঁচামরিচের দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য সবজির দাম বেশি। তার অভিযোগ, মানুষের আয় যে হারে বাড়ছে, ব্যয় তার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বাজারে প্রতিটি পণ্য কিনতেই বাড়তি চাপ অনুভব করতে হচ্ছে।

সবজির পাশাপাশি অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামেও খুব একটা পরিবর্তন নেই। বাজারে পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রসুনের দাম ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এবং আদা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। ফলে রান্নার প্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনতেও বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

ডিমের বাজার আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। মান ও ধরনভেদে প্রতি ডজন ডিম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো বিক্রেতার কাছে ডজনপ্রতি ১৬০ টাকাতেও ডিম বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফলে কম আয়ের মানুষের নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় ডিমের মতো তুলনামূলক সাশ্রয়ী আমিষও এখন বাড়তি ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

 

Parisreports / Parisreports