অবিলম্বে উত্তেজনা বন্ধ করতে কাতার-সৌদি আরবের আহ্বান
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। তেহরান ইতোমধ্যে ইসরায়েলের দিকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পাশাপাশি উপসাগরীয় বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সব পক্ষকে অবিলম্বে উত্তেজনা বন্ধ করতে আহ্বান জানিয়েছে কাতার ও সৌদি আরব।
আল জাজিরা জানিয়েছে, হামলা নিজ ভূখণ্ডে হামলার পর ইরান ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশে মার্কিন সামরিক অবস্থান রয়েছে, সেগুলোয় পাল্টা হামলা চালায়।
এর মধ্যেই সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম ইবনে হামাদ আল থানি। তারা চলমান পরিস্থিতি ও তার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপর প্রভাব নিয়ে মত বিনিময় করেন।
এ সময় তারা দুজনই ‘যেকোনো উত্তেজনা অবিলম্বে বন্ধ করা’ এবং আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। অর্থাৎ, কাতার ও সৌদি আরব চায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান পরিস্থিতি এখনই বন্ধ হোক।
সৌদি আরব নিশ্চিত করেছে, তারা কাতার রাষ্ট্রের প্রতি ‘পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন প্রকাশ করছে’ এবং দেশটির ভূখণ্ডকে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্য করার বিষয়কে ‘কঠোর নিন্দা’ জানাচ্ছে। সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাতারের নেওয়া সমস্ত পদক্ষেপে সম্ভাব্য সহায়তা প্রদানেরও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।
কাতারের আমির বিন সালমানের ‘ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সৌদি আরবের দৃঢ় অবস্থান, আন্তরিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সংহতি এবং কাতার ও এর জনগণের প্রতি অটল সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা ও প্রশংসা’ প্রকাশ করেছেন।
Parisreports / Parisreports
শুভেন্দু অধিকারীর পিএসকে গুলি করে হত্যা
ইরান যুদ্ধে হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যয় যুক্তরাষ্ট্রের
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন: বুথফেরত জরিপে এগিয়ে বিজেপি
হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল প্রথম এলএনজিবাহী ট্যাংকার
ইরানের সঙ্গে ষড়যন্ত্রের দায়ে বাহরাইনে পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ইসরায়েলের পাঠানো আয়রন ডোমেও রক্ষা পায়নি আমিরাত
বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে
অচলাবস্থা কাটিয়ে ইরানের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালু
বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র
লেবাননে আরও এক ফরাসি শান্তিরক্ষী নিহত
মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের আহ্বান
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ফ্রান্সের ক্ষতি ৬০০ কোটি ইউরো