রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নাঈমকে মারধর: নেপথ্যে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য


ক্রীড়া প্রতিবেদক photo ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩-৬-২০২৬ রাত ৮:৪৮

বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্থার নেপথ্যে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মূলত সোনা চোরাচালানের তথ্য ছিল পুলিশের কাছে। যা চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার ওসি থেকে নিয়ে ঊর্ধ্বতন অনেক পুলিশ কর্মকর্তাই জানতেন। কিন্তু ভুল করে ফেলেন খুলশী থানার এস আই শফিকুল। তিনি ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে সন্দেহভাজন মনে করে হেনস্থা ও মারধর করে ফেঁসে গেছেন। এতে পুলিশের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যার দিকে এ বিষয়ে তথ্যানুসন্ধান করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে আসে।  

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, ‘হ্যাঁ, সিএনজি অটোরিকশাটির বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালানের তথ্য ছিল। তবে তথ্যটির সত্যতা এবং অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে নিয়মকানুন অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তাদের কাছে মনে হয়েছে, ঘটনায় কিছু ভুলত্রুটি রয়েছে।’

‘জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ সদস্য যেই হোক না কেন, এ বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স অবস্থানে আছি। পুলিশের ভাবমূর্তির সঙ্গে বিষয়টি জড়িত। কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না’ বললেন মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আমিরুল ইসলাম।

সূত্র জানায়, শুক্রবার ছুটিতে ঢাকায় অবস্থানরত খুলশী থানার এসআই মনিরুল ইসলাম একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সোনার চোরাচালান আসার তথ্য দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এস আই শফিকুল ইসলাম লালখান বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। মনিরুল জানিয়েছিলেন, তিনি একটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে ওই তথ্য পেয়েছেন।

কিন্তু অভিযানে সিএনজি অটোরিকশাটিতে ছিলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল চৌধুরী ও অভিযানে থাকা আরেক কনস্টেবলের কেউ নাঈম হাসানকে চিনতে পারেননি। নাঈম হাসানও যখন পরিচয় দেন তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। পরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবাল ফোন করায় পুলিশ ঝিমিয়ে পড়ে।

তবে এই ভুলের শাস্তি হিসেবে এস আই শফিকুলসহ দুই পুলিশ সদস্যকে শনিবার সকালে প্রত্যাহার করে সিএমপির দামপাড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। পরে তাদের সাময়িক বরাখাস্ত করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের সোর্স সোহেলকেও আটক করা হয়েছে।

সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শওকত আলী বলেন, আমরা এ ঘটনা সিরিয়াসলি আমলে নিয়েছি। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নাঈমের বড় ভাই সাব্বির হাসান জানান, শুক্রবার দিনগত রাতে নাঈমকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে তল্লাশির পাশাপাশি গলা টিপে ধরে পুলিশ। এছাড়া তাকে পুলিশের হাতে থাকা পাইপ দিয়ে আঘাত করা হয়। সোহেলও নাঈমকে মারধর করেন। পরে সোহেল নিজেকে ডিবি পরিচয় দেন।

তখন সেখানে জড়ো হওয়া লোকজন তার কাছে পরিচয়পত্র চাইলে তিনি দেখাতে পারেননি। পরে লোকজন তাকে খুলশী থানায় ধরে নিয়ে যায়। তার বাসা গরিবুল্লাহ শাহ মাজার এলাকায়। পুলিশের সোর্স হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

এই ঘটনায় নাঈমের বড় ভাই সাব্বির হাসান খুলশী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে সোহেলকে তিন নম্বর আসামি দেখানো হয়। অপর দুজন হলেন এসআই শফিক ও কনস্টেবল রাসেল। দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

সাব্বির আরও জানান, খবর পেয়ে গভীর রাতে যখন বাবা থানায় যান, তখন বাবাকে থানার বাইরে ১৫ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ঢুকতে দেওয়া হয়নি। স্থানীয়দের প্রতিবাদের মুখে বাবা যখন ভেতরে ঢুকেন তখন দেখা যায়, সোহেল ওসির পাশে বসে এসির বাতাস খাচ্ছেন।

Parisreports / Parisreports

হামজার সঙ্গে ২০৩০ পর্যন্ত চুক্তি করল বার্সেলোনা

রূপকথার মতো শেষ না হলেও মেসি থাকবেন চিরভাস্বর

সান্তোসকে ফিফার নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচালেন নেইমার

অক্টোবরেই বাংলাদেশের সাথে খেলতে চায় ব্রাজিল!

ক্যাঙ্গারুর দেশে বাঘের গর্জন

মেসির বাবা আর নেই

পারেদেস নিষিদ্ধ হোক, চান না ভুক্তভোগী সেই স্প্যানিশ ফুটবলার

 বিষাক্ত বাতাসে বিশ্বকাপের ফাইনাল

ফাইনালে মাঠে থাকবেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট!

সহজ জয়ে সিরিজে সমতা ফেরাল বাংলাদেশ

আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড, যুদ্ধ-বিতর্ক ও আবেগের লড়াই

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল

এমবাপ্পে ও হালান্ডকে টপকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে মেসি